আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণার ১২ টি বই(হে নারী, গৃহবধু, নববধু, নব দুলহান, সুখ অন্বেষণকারী, রিযিক অন্বেষণকারী, অহমিকাকারী, গীবতকারী, দুনিয়াপ্রেমী, সম্পর্ক ছিন্নকারী, হিংসাকারী, বিনয় অবলম্বনকারী তোমাকে বলছি

(0 reviews)
Estimate Shipping Time: 2 Days

Inhouse product


Price
৳1,188.00 ৳2,400.00 /Pcs -51%
Club Point: 1300
Quantity
(In stock)
Total Price
Refund
Not Applicable
Share

Reviews & Ratings

0 out of 5.0
(0 reviews)
There have been no reviews for this product yet.
Nameনারী, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণার সেরা ১২ টি বই (হে নারী তোমাকে বলছি, হে গৃহবধু তোমাকে বলছি , হে নববধু তোমাকে বলছি , হে নব দুলহান তোমাকে বলছি , হে সুখ অন্বেষণকারী তোমাকে বলছি , হে রিযিক অন্বেষণকারী তোমাকে বলছি , হে অহমিকাকারী তোমাকে বলছি , হে গীবতকারী তোমাকে বলছি , হে দুনিয়াপ্রেমী তোমাকে বলছি , হে সম্পর্ক ছিন্নকারী তোমাকে বলছি , হে হিংসাকারী তোমাকে বলছি এবং হে বিনয় অবলম্বনকারী তোমাকে বলছি । 
Publisherআশরাফিয়া বুক হাউস  
CountryBangladesh
LanguageBangla
Summary 

১। হে নারী তোমাকে বলছি

সম্মানিত ও সুপ্রিয় পাঠক/পাঠিকা ।। নারী-পুরুষ উভয়েরই তার নিজস্ব দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে । ইসলাম নারীদের ব্যাপারে খুবই গুরুত্ব আর সম্মান দিয়েছেন ।নারীদের কিভাবে চলতে হবে,নারীদের কেমন হওয়া উচিত,সে সম্পর্কে ইসলাম কত সুন্দর দিক নির্দেশনা দিয়েছেন । কিন্তু অধিকাংশ নারীরাই বর্তমানে সে সম্পর্কে বে-খবর । নারীদের এই উদাসীনতাই আজ তাদের নির্যাতিত হওয়ার একটি বিরাট কারন । নারীদের তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সজাগ হওয়া অত্যান্ত জরুরী । তাই আসুন জেনে নেই ইসলামে নারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য কি?

২। হে গৃহবধু তোমাকে বলছি

তোমাকে বলছি সিরিজ- ২য় খন্ড ।। দুনিয়াতে মানব জাতির আগমন এর ধারা অব্যাহত রাখতে নারী পুরুষের মিলনের কোন বিকল্প নেই। এজন্য বিয়ে একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন মাধ্যম যার দ্বারা স্বামী স্ত্রী একে অপরের প্রতি ভালবাসা প্রকাশের সুযোগ পায় এবং দুনিয়ায় নবজাতকের আগমন ঘটে। আর এই নবজাতকের জন্য সুন্দর পরিবেশ ও সহযোগিতার জন্য বাবা মায়ের কোন বিকল্প নেই,যা বিয়ের মাধ্যমে সংগঠিত হয়। বিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর একটি সুন্নত। ঈমানের পূর্ণতার সহায়ক। আদর্শ পরিবার গঠন,মানুষের জৈবিক চাহিদা পূরণ এবং মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান উপকরণ হচ্ছে বিবাহ। বিয়ের মাধ্যমেই পাত্র-পাত্রী স্বামী-স্ত্রী তে রুপান্তরিত হয় এবং একসাথে জীবনযাপন করতে শুরু করে। এজন্য শরীয়ত বলেছে,তোমরা বিয়ে করো,যাতে তোমাদের নিজেদেরকে পুতঃপবিত্র রাখা সহজ হয়। বিয়ের বিধান যদি না থাকতো,পুরুষরা মেযেদেরকে শুধুই খেলনার বস্তু মনে করতো। মেযেদের কোন মর্যাদা থাকতো না। আর তাদের দায়িত্ব নেয়ার মতোও কাউকে পাওয়া যেতো না । তাই বিবাহের গুরুত্ব ও উপকারিতা অনস্বীকার্য। জিনা-ব্যভিচারের মতো বড় বড় গুনাহ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আল্লাহ তাআলা প্রত্যেককে ইসলামী অনুশাসন মেনে বিবাহ করার মাধ্যমে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের তাওফিক দান করুন- আমীন।

৩। হে নববধু তোমাকে বলছি

সৃষ্টিগতভাবেই নারী-পুরুষ একে অপরের পরিপূরক। নারী বীনে পুরুষ আর পুরুষ বীনে নারীর জীবন মরুবালুর চর। হতাশার অতল সাগরে হাবুডুবু খায় নর ছাড়া নারী আর নারী ছাড়া নর। এ কারণেই তো পৃথিবীর প্রথম মানব সাঈয়ীদুনা আদম আঃ চরম ঔদাসীন্য ও অতৃপ্তিতে ভুগছিলেন অনিন্দ অতুলনীয় সুখের বাসর জান্নাতে থেকেও। সেই চরম অতৃপ্তি ও ঔদাসীন্য দূর করার লক্ষ্যে তাঁর জীবন সঙ্গিনীরূপে সৃষ্টি করলেন মা হাওয়া (আঃ)-কে আবদ্ধ করলেন বিয়ের বন্ধনে। অতৃপ্ত আদম তৃপ্ত হলেন। দূর হলো সকল ঔদাসীন্যতা। শুরু হলো নর-নারীর বৈধ যুগল বাঁধনে তথা বিয়ের সূত্রে মানবজীবন । কুরআন মাজীদে ইরশাদ হয়েছে- “হে মানবগোষ্ঠী! তোমরা ভয় কর তোমাদের সেই রবকে যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এক ব্যক্তি থেকে আর তাঁর থেকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর স্ত্রীকে এবং তাদের দুজন থেকে সৃষ্টি করেছেন অগনন নর-নারী। (নিসা: ১) বিয়ে মূলত একজন সুস্থ মানুষের প্রাকৃতিক প্রয়োজন। উপরন্তু মানুষের স্বভাবগত পরিচ্ছন্নতা,মানসিক ভারসাম্য,চারিত্রিক উৎকর্ষতা ও পবিত্রতার অন্যতম উপায় বিয়ে। ফিতরাতের ধর্ম ইসলামও এর গুরুত্ব দিয়েছে যারপরনাই । আল্লাহ তাআলা প্রত্যেককে ইসলামী অনুশাসন মেনে বিবাহ করার মাধ্যমে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের তাওফিক দান করুন- আমীন।

৪। হে নব দুলহান তোমাকে বলছি

তোমাকে বলছি সিরিজ- ৪র্থ খন্ড ।। মানব সভ্যতা বিকাশের জন্য দরকার সমাজ ও রাষ্ট্র। সমাজের প্রথম সোপান হলো পরিবার। পারিবারিক জীবন শুরু হয় বিয়ের মাধ্যমেই। কাজেই মানব সভ্যতা বিকাশে বিয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। একজন পুরুষ এবং একজন নারীর মাঝে একসাথে বসবাস করার শরিয়ত মোতাবেক যে বন্ধন স্থাপিত হয়,তারই নাম বিবাহ । বিয়ে প্রত্যেকটি পুরুষ ও নারীর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নারী-পুরুষের হৃদয়ে প্রশান্তি লাভের নির্ভরযোগ্য এক আশ্রয়স্থল হচ্ছে বিবাহবন্ধন। নারী পুরুষের মাঝে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিয়ে হচ্ছে একমাত্র বৈধ উপায় এবং মানুষের চরিত্র রক্ষার হাতিয়ার। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে প্রত্যেক ধর্মেই কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হলেও কোন ধর্মেই বিয়ে বিহীন সহবস্থান গ্রহণ করে না। এই জন্য মানবতার ধর্ম,আল্লাহ্ প্রদত্ত জীবন বিধান ইসলাম বিয়ে করার জন্য উৎসাহিত করেছে। আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে কারীমে বলেছেন,“তোমার পছন্দ অনুযায়ী তুমি বিবাহ কর।”আল্লাহ তাআলা প্রত্যেককে ইসলামী অনুশাসন মেনে বিবাহ করার মাধ্যমে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের তাওফিক দান করুন- আমীন।

৫। হে সুখ অন্বেষণকারী তোমাকে বলছি

তোমাকে বলছি সিরিজ- ৫ম খন্ড ।। দাম্পত্যজীবন সম্পর্কে আলোচনা করার পূর্বে ইসলামপূর্ব সমাজ-সভ্যতায় নারীদের অবস্থান কী ছিল; তা জানা থাকতে হবে। পৃথিবীর ইতিহাস সামনে রাখলে একথা চোখ ধাঁধিয়ে পরিস্কার হয়ে ওঠে যে,ইসলামপূর্ব যুগের নারীরা নিজেদের মৌলিক অধিকারটুকুও পেত না। সবদিক থেকেই তারা ছিল লাঞ্চিত ও বঞ্চিত। ফ্রান্সে তাদেরকে ‘অপূর্নাঙ্গ মানুষ’ হিসেবে বিবেচনা করা হত। বলা হত,এরাই সকল সামাজিক অনাচারের মূল। চীনারা মনে করত,এরা শয়তানের অপবিত্র আত্মা। মানুষকে রকমারি অকল্যাণের পথে এরাই নিয়ে যায়। জাপানিদের ধারণা ছিল,নারীরা সৃষ্টিগতভাবেই অপবিত্র। এজন্য উপাসনাগার থেকে তাদেরকে দূরে রাখা হত। হিন্দুধর্মেও নারীরা স্বামীহারা হলে তাদেরকেও স্বামীর লাশের সাথে জীবন্ত পুড়ে মারার জন্য বাধ্য করা হত। কোনো নারী এই আত্মহুতি না দিলে তাকে সমাজচ্যুত করা হত। খ্রিস্টজগতের বিশ্বাস ছিল,নারীরা আল্লাহপ্রাপ্তির পথে প্রতিবন্ধক। নারীদেরকে শিক্ষা দেয়া হত,তারা (Nuns) সারজীবন চিরকুমারী থাকবে। পক্ষান্তরে পুরুষরা পাদ্রী হওয়াকে গৌরবময় মনে করত। আরববিশ্বে মেয়েশিশু জন্ম নেয়াটাই ছিল অপরাধ। মা-বাবা নিজ হাতে কন্যা সন্তানকে মাটিতে জীবন্ত কবর দিত। সে সমাজে নারীরা এতটাই লাঞ্চিত ছিল যে,পুরুষ মারা গেলে তার অন্যান্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির মত তার স্ত্রী ও তারই সন্তানদের মাঝে বন্টিত হত। পরিণামে নারী আপন সন্তানের বিবাহধীন স্ত্রীর মত মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হত। আল্লাহ তার প্রিয় নবী মুহাম্মদ কে পাঠালেন ইসলাম নামক নেয়ামত দিয়ে। নবীজী আসলেন। নারীজাতির মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করলেন। ঘোষণা দিলেন,হে মানব সকল! ‘নারী’ কন্যা হলে তোমার গর্ব,বোন হলে তোমার সম্মান,স্ত্রী হলে তোমার জীবনসাথী। আর মা হলে তার পদতলে তোমার জান্নাত । ”আল্লাহ তাআলা প্রত্যেককে ইসলামী অনুশাসন মেনে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের তাওফিক দান করুন- আমীন।

৬। হে রিযিক অন্বেষনকারী তোমাকে বলছি

বই থেকে কিছু কথা ।। রিজিকের বিষয়টি অত্যত গুরুতর এবং জটিল। কেননা ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গিতে রিজিকের বিষয়টি বুঝে নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। রিজিকের মালিক কে,মানুষ না অন্য কেউ; কোনো পীর-মাশায়েখ কি রিজিকের মালিক,নাকি অফিসের বস; কে আপনাকে আমাকে রিজিক নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ করেন? কখনও কি ভেবে দেখেছেন? আপনি এক বছরে কত টাকা আয় করবেন,কোন খাবার কতটুকু খাবেন,সবকিছুই এক আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। সব প্রাণীর রিজিকের মালিক তিনি। কারও রিজিক কমানো-বাড়ানো সবই তার এখতিয়ার; মানুষের রিজিক মানুষ কমাতে পারে না। যতটুকু আল্লাহ নির্ধারন করেছেন,ততটুকুই কেবল মানুষ ভোগ করতে পারে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ অসংখ্য জায়গায় স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছেন কেবল তিনিই রিজিকের মালিক। এমনকি রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহ তাআলা নিজের উপর নিয়ে নিয়েছেন। যেমনটি পবিত্র কুরআনে কারীমে আল্লাহ তাআলা জানিয়ে দিয়েছেন— وكاين من دابة لا تحمل رزقها الله يرزقها وإياكم وهو السميع العليم. এমন অনেক জন্তু আছে,যারা তাদের খাদ্য সঞ্চিত রাখে না। আল্লাহ তায়ালাই রিযিক দেন তাদেরকে এবং তোমাদেরকেও। তিনি সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞ। (সূরা আনকাবৃতঃ আয়াত নং-৬০) অনেক মানুষ মনে করে থাকে— যদি এবাদত-বন্দেগি নিয়ে পড়ে থাকি তাহলে রুজি রোজগারের ব্যবস্থা কি হবে? তাই এবাদত-বন্দেগি বাদ দিয়ে শুধুমাত্র রিযিকের পিছনে ঘুরে বেড়ায়। মনে মনে চিন্তা করে— এখন যা উপার্জন করার উপার্জন করে নেই। পরবর্তীতে এবাদত করা যাবে। অন্যথায় পরবর্তী পর্যায়ে জীবন নির্বাহ কিরূপে হবে? তাই এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিয়েছেন যে,অর্জিত আসবাব পত্রকে রিজিকের যতেষ্ঠ কারণ মনে করা ভূল ।

৭। হে অহমিকাকারী তোমাকে বলছি

বই থেকে কিছু কথা ।। ‘অহমিকা’ মানব স্বভাবের একটি নিকৃষ্ট অংশ। বিশুদ্ধ-অশুদ্ধ সকল আকীদা- বিশ্বাসের লোকের মধ্যেই থাকে। এর উপকারিতার চেয়ে অনিষ্টকারিতা বেশী। একে দমন করে সৎকর্মে লাগানোর মধ্যেই মানুষের কৃতিত্ব নির্ভর করে। মানুষের মধ্যে ষড়রিপু হল কাম,ক্রোধ,লোভ,মোহ,মদ,মাৎসর্য। এর মধ্যে ‘মদ’ হল দম্ভ,গর্ব,অহংকার। ‘মাধুর্য’ হল ঈর্ষা,হিংসা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনটি নাজাত দানকারী ও তিনটি ধ্বংসকারী বস্তু থেকে মানুষকে সাবধান করেছেন। নাজাত দানকারী তিনটি বস্তু হল, (১) গোপনে ও প্রকাশ্যে আল্লাহকে ভয় করা। (২) খুশীতে ও অখুশীতে সত্য কথা বলা। (৩) সচ্ছলতা ও অসচ্ছলতার মধ্যবর্তী অবস্থা বেছে নেওয়া । অতঃপর ধ্বংসকারী তিনটি বস্তু হল, (১) প্রবৃত্তি পূজারী হওয়া। (২) লোভের দাস হওয়া। (৩) আত্ম অহংকারী হওয়া। তিনি বলেন,এটিই হল সবচেয়ে মারাত্মক। শায়খুল ইসলাম আহমাদ ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন,[ মিশকাত হা/৫১২২]

Top of Form

 

৮। হে গীবতকারী তোমাকে বলছি

বই থেকে কিছু কথা ।। আমরা কেবল সামান্য কিছু ইবাদত-বন্দেগীকেই ইসলাম মনে করে বসেছি। আমরা মনে করি ইসলাম হল নামাজ রোজার নাম। কেউ নামাজ পড়ল,রোজা রাখল,হজ করল আর সে মুসলমান হয়ে গেল। আমাদের কাছে ইসলামের যেন আর কোন চাওয়া নেই। *ফলে দেখা যায়,আমরা যখন বাজারে যাই তখন সেখানে চালাকি,ধোকাবাজি ও *মিথ্যার সয়লাব হয়ে যায়। *হালাল-হারামের প্রতি আমাদের কোন দৃষ্টি নেই। *আমরা আমাদের কথাবার্তার প্রতি বিন্দুমাত্রও সতর্ক নই । চোখ বন্ধ করে মিথ্যা কথা বলছি। *আমানতের খেয়ানত করছি,ওয়াদা ভঙ্গ করছি,অন্যের দোষ চর্চা তথা গীবত করছি। তারপরও ভাবছি আমরা পাক্কা মুসলমান। কারণ,আমরা কেবল নামাজ-রোজাকেই ইসলাম মনে করে বসে আছি। আমাদের এই ধারণা ভুল ও খুবই বিপদজনক।

৯। হে দুনিয়াপ্রেমী তোমাকে বলছি

বই থেকে কিছু কথা ।। দুনিয়ার মহব্বত একটি মারাত্মক ব্যাধি,যা মানবাত্মাকে ধ্বংস করে দেয় এবং মানবজাতিকে আখিরাত বিমুখ করে। এতে দুনিয়ার হাকীকত কী,দুনিয়াতে মুমিনদের অবস্থান ও দুনিয়ার সাথে তাদের সম্পর্কের মানদণ্ড কেমন হওয়া উচিৎ,দুনিয়ার মহব্বত ও আসক্তির কারণে মানব জীবনে কী কী প্রভাব পড়তে পারে,কী ক্ষতি হতে পারে,তার চিকিৎসা কী এবং দুনিয়ার প্রতি আসক্তির কারণসমূহ আলোচনা করা হয়েছে ।

১০। হে সম্পর্ক ছিন্নকারী তোমাকে বলছি

বই থেকে কিছু কথা ।। মানুষ একে অপরের সাথে বিভিন্নভাবে সম্পর্কে জড়িত। মানুষের মাঝের এই সম্পর্কের নাম হচ্ছে ‘আত্মীয়তা’। পরস্পরের সাথে জড়িত মানুষ হচ্ছে একে অপরের ‘আত্মীয়’। ব্যক্তি,পরিবার ও সমাজে আত্মীয়তার সম্পর্ক সর্বতোভাবে জড়িত। আত্মীয় ছাড়া এ জীবন অচল। আত্মীয়দের সহযোগিতা,সহমর্মিতা ও ভালবাসা নিয়েই মানুষ ও পার্থিব জীবনে বেঁচে থাকে। আর আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় না থাকলে জীবন হয়ে যায় নীরস,আনন্দহীন,একাকী ও বিচ্ছিন্ন। তাই পার্থিব জীবনে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। এই অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কেই আলোকপাত করা হবে ইনশাআল্লাহ ।

১১। হে হিংসাকারী তোমাকে বলছি

বই থেকে কিছু কথা ।। মানব মনের রোগসমূহের মধ্যে একটি কঠিন রোগের নাম হল ‘হিংসা’। যা মানুষকে পশুর চাইতে নীচে নামিয়ে দেয়। হিংসার পারিভাষিক অর্থ- تَمَنَّى زَوَالَ نِعْمَةِ الْمَحْسُوْدِ হিংসাকৃত ব্যক্তির নেয়ামতের ধ্বংস কামনা করা আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন- آتَاهُ الله الحِكْمَةَ ، فَهُوَ يَقْضِي بِهَا وَيُعَلِّمُهَا দুটি বস্তু ব্যতিত অন্য কিছুতে হিংসা সিদ্ধ নয়। ১. আল্লাহ যাকে মাল দিয়েছেন। অতঃপর সে তা হক-এর পথে ব্যয় করে। ২. আল্লাহ যাকে প্রজ্ঞা দান করেছেন। সে তা দ্বারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং শিক্ষা দেয়। [বুখারী শরীফঃ হা/৭৩]

১২। হে বিনয় অবলম্বনকারী তোমাকে বলছি

বই থেকে কিছু কথা ।। عَنْ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبي صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ يَا عَائِشَةُ إِنَّ اللَّهَ رَفِيقٌ يُحِبُّ الرِّفْقَ وَيُعْطِي عَلَى الرِّفْقِ مَا لَا يُعْطِي عَلَى الْعُنْفِ وَمَا لاَ يُعْطِي عَلَى مَا سِوَاهُ অর্থঃ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী হযরত আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত যে,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- হে আয়েশা! নিশ্চয় মহান আল্লাহ দয়ালু,তিনি দয়া ও নম্রতাকে পছন্দ করেন। আর তিনি নম্রতার জন্য যা দান করেন,কঠোরতার জন্য তা দান করেন না। এমনকি দয়া ও নম্রতার জন্য যা দান করেন,এ ছাড়া অন্য কোনো কিছুর জন্য তা দান করেন না। (সহীহ মুসলিম : হাদীস নং ২৫৯৩,জামিউল উসূল হাদীস নং ২৬৩৬)

Frequently Bought Products

Product Queries (0)

Login Or Registerto submit your questions to seller

Other Questions

No none asked to seller yet

All categories
Flash Sale
Todays Deal